স্বপ্নের নায়ক সেই তুমি • পর্ব-১ | Jemon Blog
ঢাকাবুধবার - ১ ডিসেম্বর ২০২১
  1. Ecommerce
  2. অনলাইন জব
  3. গল্প জানুন
  4. টেক আপডেট
  5. লাভ স্টোরি
  6. সাকসেস লাইফ
  7. সোস্যাল আপডেট
  8. হেলথ টিপস

স্বপ্নের নায়ক সেই তুমি • পর্ব-১

যেমন ব্লগ ডেক্স
ডিসেম্বর ১, ২০২১ ৫:০৪ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

আমাদের আজকের নতুন গল্প “স্বপ্নের নায়ক সেই তুমি” তোমাদের আজকের গল্পটি তৈরি হচ্ছে একটি ভালোবাসার ঘটনা নিয়ে। স্কুল জীবন থেকে শুরু করে এ পর্যন্ত একটা ভালোবাসার গল্প নিয়ে তৈরি হচ্ছে আমাদের গল্প “স্বপ্নের নায়ক সেই তুমি” হজের প্রত্যেকটা পর্ব পড়ার পরে অবশ্যই কমেন্ট করবেন কেননা আপনি কমেন্ট করবেন সে কমেন্ট এর উপর ভিত্তি করে পরবর্তী পর্ব তৈরি হবে। তাই আপনার কমেন্ট আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সেই তুমি

আমাদের গল্পটি তৈরি হচ্ছে যৌথভাবে এটার সাথে বাস্তবের কোনো সম্পর্ক নেই শুধুমাত্র অনাকাঙ্ক্ষিত মন্তব্যের উপর ভিত্তি করে একটি গল্প তৈরি করা হচ্ছে এদিকে কেউ বাস্তবে রূপান্তরিত করার চেষ্টা করবেন না। যেহেতু এটা বাস্তবের সাথে কোন সম্পৃক্ত না তাই এটাকে বাস্তবে রুপ দেওয়া যাবে না। সেই তুমি

আমাদের গল্পের মূল নায়ক নায়িকা হচ্ছে: সাইফুল ইসলাম এবং তানিয়া। আমি সাইফুল ইসলাম আমার বয়স ২০ বছর। আর ওদিকে তানিয়ার বয়স ১৭ বছর কিন্তু মেয়েটাকে দেখে কেউ বলবে না যে এর বয়স ১৭ বছর। আস্ত একটা মহিলার মত দেখতে।

আমাদের ভালোবাসাটা শুরু হয়েছিল অন্যরকম একটা কাহিনী বলতো থেকে আমাদের ভালবাসাটা শুরু হয় প্রাইমারি স্কুল থেকেই আমি যখন তৃতীয় শ্রেণীতে পড়ি তখন আমাদের বন্ধুত্ব সম্পর্ক হয় সেই সম্পর্ক আছে কি কি আছে এবং এটা লাইফের সাথে মিশে গিয়েছে ‌‌। সেই তৃতীয় শ্রেণি থেকে এখন পর্যন্ত আমাদের ভালবাসাটা সত্যিকার অর্থে টিকে আছে তবে এর মধ্যে যদিও অনেক প্যাচাল হয়েছিল বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হয়েছিলাম তবে এখনো টিকে আছে ইনশাল্লাহ। সেই তুমি

আরো পড়ুনঃ  ছোলা খাওয়ার উপকারিতা

ছোটবেলায় আমি স্কুলে যেতে চাইতাম না। ছোটবেলার খেলাধুলা করা সহ বিভিন্ন জিনিসের মধ্যে আটকে যেতাম মজা করতাম যত গ্রামে থাকে এগুলো খুবই প্রিয় ছিল। স্কুলে পাঠাতো আমাকে খুব জোর করে জোর জবরদস্তি করে স্কুলে পাঠাতো স্কুলে যাওয়ার ইচ্ছে আমার মত ছিল না কখনো চাইতাম না আমি নিজে খুলে যায় বাসা থেকে আম্মা এসে ধরে আন্ত স্কুলে পাঠানোর জন্য।

স্বপ্নের নায়ক সেই তুমি • পর্ব-২

অনেক সময় আব্বা আমাকে প্রচুর মারধর করতো স্কুলে পাঠানোর জন্য তাও আমার নিজ ইচ্ছায় স্কুলে যাওয়ার কোনো মূল্যই ছিল না। স্কুলে লেখাপড়া পারতাম না এজন্য শিক্ষক আমাকে কান্দনা তো সবার সামনে বার তো এগুলো আমার মোটেও পছন্দ নিয়ে ছিলন এজন্য আমি মূলত স্কুলে যেতাম না আর বাড়িতে বসে কখনো পড়তাম না যার জন্য আমার পরাহত না তবে আমার মাথার ব্রেন শক্তি খুবই ভালো ছিল অল্প সময়ে পড়লে সেটা আবার মুখস্ত হয়ে যেত। নায়ক সেই

মুখস্থ হয়ে গেল বাড়িতে বসে লেখাপড়ার কোন মনোভাব ছিল না বাড়িতে বসে যতটুক সময় পেতাম ততটুকু সময় বিভিন্ন জায়গায় আড্ডা আর দুষ্টুমি করে কাটিয়ে দেওয়া আমার মূল কাজ ছিল। দুষ্টামি যেন আমার সবচেয়ে প্রিয় স্যার এমন হয়ে গেছে সবসময় দুষ্টুমি মধ্যেই থাকতাম। আমি যখন তৃতীয় শ্রেণীতে পড়ি তখন আমি খুবই ছোট বয়সের তুলনায় অনেক ছোট আমি তৃতীয় শ্রেণীতে পরল আমার ক্লাসের ছেলেদের সাথে চলাফেরা করতে পারতাম না ওরা ছিল আমার চেয়ে বরং আমি আমার নিচের ক্লাসের ছেলেদের সাথে চলাফেরা করতাম ওদের সাথে চলাফেরা করতে ভালো লাগতো ওরা আমার সমবয়সী সেও তাই। নায়ক সেই

আরো পড়ুনঃ  কিভাবে ফেসবুকে ফলোয়ার অ্যাক্টিভ করা যায়

আমি যখন ক্লাস ফোরে উঠলাম তখন আমার সাথে ঘটে গেল অন্যরকম একটা অদ্ভুত শক্তির ঘটনা এই শক্তির জন্য আমি মোটেও প্রস্তুত ছিলাম না আমার জীবনে আমি পাল্টে যাবেন কখনো বুঝতে পারিনি। আমার স্কুলে যে মেয়েরা ছিল তাদের মধ্য থেকে কাউকে আমার পছন্দ হতো না আর পছন্দ হতো না এজন্য যে সবাইকে সারাক্ষণ দেখতাম সবাই আমার আশে পাশে সারাক্ষন দেখলেই মেয়েকে পছন্দ হয় না আর যদি মাঝের মধ্যে কোন মেয়েকে দেখা হয় ওই মেয়েকে খুবই ভালো লাগে আমার। এরকমভাবে শহর থেকে গ্রামে আসা একটা ছোট্ট মেয়ে ভর্তি হয়েছে ক্লাস টু তে। গেট শহরে থাকতে প্রচুর সুন্দর আর কিউট আমার মনে ধরেছে মেয়েটাকে শুনেছে ওরা এখন থেকে গ্রামে থাকবে আমাদের পরবর্তী গ্রামে থাকে ওরা ওর আব্বু শহরে থাকে কিন্তু আম্মু গ্রামে থাকবে। মেয়েটাকে আমার মনে ধরে গেল। নায়ক সেই

কি করব এটাকে ভালো লাগছে কিছু করতে পারছিনা কিছু বলতে পারছিনা আমি প্রত্যেক দিন স্কুলে যেতাম এখন স্কুল মিস করতাম না কখনোই স্কুল মিস করতাম না আমি আর বিশেষ করে এই স্কুলে যেতাম শুধু ওর জন্য আমি জানতে পারতাম যে প্রত্যেক দিন ওর পড়া হয় সব টিচার ওরও খুব ভালো জানেন এগুলো আমার খুব ইগোতে লাগত তাই আমিও স্কুল কামাই নিতাম না এবং রাতে পড়তাম বিষয়টা হয়তো আমার বাসার সবাই লক্ষ্য করলেও আমি পাত্তা দিতাম না কারণ তখন আমি বিষয়টা বুঝতেই পারিনি কে কী বলল কে কি নিয়ে ভাবছে আমাকে এগুলো আমি বুঝতে পারতাম না। নায়ক সেই

আরো পড়ুনঃ  অনলাইনে উপার্জনের টাকা!

এই গল্পের পরবর্তী পর্ব পড়তে এখানে ক্লিক করুন।