সমুদ্র সৈকত কুয়াকাটা ভ্রমণ | Jemon Blog
ঢাকারবিবার - ১৪ নভেম্বর ২০২১
  1. Ecommerce
  2. অনলাইন জব
  3. গল্প জানুন
  4. টেক আপডেট
  5. লাভ স্টোরি
  6. সাকসেস লাইফ
  7. সোস্যাল আপডেট
  8. হেলথ টিপস

সমুদ্র সৈকত কুয়াকাটা ভ্রমণ

যেমন ব্লগ ডেক্স
নভেম্বর ১৪, ২০২১ ৩:৫৯ অপরাহ্ণ
Link Copied!

আগের দিন ছিল সুন্দর একটি মুহূর্ত আমরা আমাদের টিম থেকে প্রায় ৮৫ জন মানুষ একসাথে ট্রলারে কুয়াকাটা ভ্রমণে গিয়েছিলাম সেখানে অনেক অনেক বেশি মজা হয়েছে অনেক বেশি ইনজয় হয়েছে আমরা সেখানে মোটামুটি লম্বা একটা সময় পার করেছি সেখানে আমরা কিভাবে গিয়েছি কয় টাকা চার্জ প্রযোজ্য হয়েছে সমস্ত বিষয়বস্তু আজকে আপনাদের জানাবো।

সমুদ্র সৈকত কুয়াকাটা সুন্দর একটা জায়গা, এখানে দেখার মত ঘোড়ার মতো উপভোগ করার মত অনেক অনেক বেশি জায়গা রয়েছে যেগুলো আপনারা উপভোগ করতে পারেন যারা বরিশালের মধ্যে আছেন তারা খুব সহজেই এখানে পৌঁছাতে পারেন এবং খুব সীমিত টাকার মধ্যে আপনার ভ্রমণ সম্পন্ন করতে পারেন। তবে যারা বরিশালের বাইরে আছেন তাদের জন্য হয়তো একটু সমস্যা হতে পারে সমস্যা বলতে টাকার পরিমাণটা একটু বেশি লাগতে পারে তবে আমি বলবো কক্সবাজার কিংবা অন্যান্য যে সমুদ্র সৈকত আছে তার থেকে কুয়াকাটা কিন্তু অনেক বেশি খারাপ নয় খুবই ভালো একটা জায়গা।

সমুদ্র সৈকত কুয়াকাটা যারা একবার গেছেন আমি মনে করি তারা আরো কয়েকবার যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন কিংবা দিনক্ষণ ঠিক করে রেখেছেন কারণ এই জায়গায় রয়েছে পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা এবং ব্যয়বহুল কম হওয়াতে অনেক মানুষ এই জায়গাতে যেতে পারছে তাই যাদের বাজেট কম কিংবা যারা টিমভিত্তিক অথবা ফ্যামিলি ভিত্তিক ঘুরতে যেতে চান তাদের জন্য সাজেস্ট করা যায় সমুদ্র সৈকত কুয়াকাটা।

আরো পড়ুনঃ  ভূতের ঘটনার সত্যতা প্রকাশে আমরা ছিলাম - পার্ট ১

এখানে যাওয়ার জন্য নির্দিষ্ট কয়েকটি সময় ভাগ করা যায় যেমন শীত এবং গরম দুটো উষ্ম শীতোষ্ণ এর মধ্যে যাওয়া যেতে পারে আবার পর্যাপ্ত গরমের মধ্যে গেলে আপনি বেশি মজা উপভোগ করতে পারবেন না কেননা ওখানে যাওয়ার পর তো দুটোই হয়ে থাকে গাড়ি এবং লঞ্চ কিংবা ট্রলার তাই আপনি ওখানে বেশি গরমে গেলে আপনি তেমন কিছু উপভোগ করতে পারবেন না আবার অনেক বেশি শিখতে গেলে আপনি সমুদ্রসৈকতে নেমে মজা করতে পারবেন না।

তাই যখন উষ্ম শীতোষ্ণ অর্থাৎ অল্প অল্প গরম তখন আপনি ওখানে যেতে পারেন সময়টা আপনার জন্য পারফেক্ট এই সময় ওখানে অনেক বেশি মজা উপভোগ করতে পারবেন। সমুদ্র সৈকত কুয়াকাটা রয়েছে স্প্রিংবোর্ড করার সুবিধা, মোটরসাইকেল চলার সুবিধা এছাড়া আরও যানবাহন রয়েছে যেগুলো আপনার হাতে ধরা কন্ট্রোল ছেড়ে দিবেন আপনি নিজেই ঘুরে আসতে পারবেন। এছাড়া তারা আপনার ছবি তোলার জন্য সব সময় প্রস্তুত রয়েছেন আপনি চাইলে তাদের ক্যামেরার মাধ্যমে ছবি তুলতে পারবেন আপনি চাইলে সেখানে বোর্ডিং ভাড়া করে আপনার ফ্যামিলি কিংবা বন্ধুবান্ধব নিয়ে সেখানে দীর্ঘ সময় পার করতে পারবেন।

আবাসিক হোটেলসহ বিভিন্ন হোটেল মোটেল রেস্টুরেন্ট রয়েছে যেখানে আপনি উন্নতমানের খাবার পেয়ে যাচ্ছেন অর্থাৎ এটি খুবই মনোরম একটা পরিবেশ যেখানে যাওয়ার জন্য যে কারো মন চাইবেই।

আরো পড়ুনঃ  রিয়াদ মিয়ার মেয়ে পটানোর টিপস

আমাদের যাত্রার কাহিনী!

আমাদের যাত্রা হয় ২৯-অক্টোবর-২০২১ তারিখে, এই তারিখটি আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ এই জন্য এটি আমাদের অরগানাইজেশনের জন্মদিন। দৃষ্টি ব্লাড ফাউন্ডেশন এর জন্মদিন উপলক্ষে আমরা সবাই সেখানে ঘুরতে যাই এবং আমাদের যাওয়ার যানবাহন হচ্ছে ট্রলার, দীর্ঘ ৩ ঘন্টা বাড়ির পরে আমরা আমাদের গন্তব্যে পৌঁছায়। সেখানে আমরা সবাই দীর্ঘ সময় পার করি খাওয়া-দাওয়া করে খাওয়া-দাওয়া ছিল আমাদের টিম ভিত্তিক অর্থাৎ আমাদের সাথে বাবুর্চি সবাই ছিলেন। আমাদের আইটেম ছিলো-বিরানি, জাল মাংস, রোস্ট, কোমল পানি এবং আরসি সহ অনেক কিছু।

যা আমাদের দুপুরের খাবারকে অনেক বেশি সমৃদ্ধ করে তুলেছে সেই সাথে অন টাইম প্লেট সহ খাবারের সাথে বিভিন্ন আরো কিছু মেনু এড করা হয়েছিল যা আমাদের খুবই প্রিয় খাবার হিসেবে প্রকাশিত হয়েছিল। সর্বোপরি দুপুরের খাবার শেষে আমরা ঘোরাঘুরি করতে বের হলাম তবে দুপুরে খাবার আগে আমরা নদীতে অর্থাৎ কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে বেশ লম্বা একটা সময় পার করেছি সেখানে গোসল করা পানির মধ্যে ছবি তোলা পানির মধ্যে দৌড়োদৌড়ি সহ অনেক লম্বা সময় পার করেছি যেটা স্মৃতি হয়ে থাকবে সারা জীবন।

আরো পড়ুনঃ  মায়ের সাথে সন্তানের ভালোবাসা

এরপরে খাবার খেয়েছি খাবার খাওয়ার পরে আমরা আমাদের নিজেদের পোষাক পরিধান করে ঘোরাফেরা এবং কেনাকাটার উদ্দেশ্যে উপরের দিকে উঠলাম সেখানে কত সুন্দর সুন্দর জায়গা হোটেল-মোটেল রেস্টুরেন্ট রয়েছে প্রত্যেকটা দোকানে জিনুক শামুকের সামগ্রী রয়েছে যা প্রত্যেকটা কিনতে ইচ্ছা করে যে কোন মানুষের প্রত্যেকটা রুপার মনকাড়া একটা নজর চলে যায়। কিছু প্রোডাক্ট কিনলাম ঝিনুক শামুক পুতির সেগুলো আনলাম আর সেখানে রয়েছে বিভিন্ন আইটেমের আচার চকলেট। সেখান থেকে কিছু চকলেট নিলাম এরপরে আর বেশিক্ষণ ঘোরাফেরা করলাম এরপর কিছু ছবি তুললাম ছবিগুলো আমাদের মোবাইলে টান্সফার করে দিল।

অতঃপর এখন সময় বিকেল ৫:৪০ মিনিট আমাদের যাওয়ার সময় ঘনিয়ে এসেছে যেহেতু আমরা বড় ট্রলার পড়ে গিয়েছি সুতরাং ট্রলার একদম কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত পৌঁছতে পারেনি তাহলে বেজে যাচ্ছে তাই এটা নদীর মাঝপথে দাঁড় করিয়ে আমরা সেখান থেকে স্প্রিংবোর্ড করে নেমেছিলাম এ কিভাবে আমরা এখন স্প্রিংবোর্ড করে সবাই ট্রলারে উঠেছিলাম। সবাই টলারে ওঠাব শেষ এখন ট্রলার ছেড়ে দিবে এখন সময় ৬:০০ রওনা করলাম এবং গন্তব্যে এসে পৌঁছলাম টানা তিন ঘন্টার পরে।

সব মিলিয়ে ওখানে এত সুন্দর একটা সময় কেটেছে যা কল্পনাও করতে পারিনি এত লম্বা একটা সময়ে এতদ্রুত চলে যাবে তা বুঝতেই পারেনি।