শসা ও গাজর খাওয়ার উপকারিতা | Jemon Blog
ঢাকারবিবার - ২৯ আগস্ট ২০২১
  1. Ecommerce
  2. অনলাইন জব
  3. গল্প জানুন
  4. টেক আপডেট
  5. লাভ স্টোরি
  6. সাকসেস লাইফ
  7. সোস্যাল আপডেট
  8. হেলথ টিপস

শসা ও গাজর খাওয়ার উপকারিতা

যেমন ব্লগ ডেক্স
আগস্ট ২৯, ২০২১ ৪:১৭ অপরাহ্ণ
Link Copied!

শসা ও গাজর আমাদের অনেক উপকারে আসে একেকটা সবজিতে একেক রকম উপকার রয়েছে এরমধ্যে এখন আমরা জানবো শসা ও গাজর খাওয়ার উপকারিতা নিয়ে।

শসা:

সবজি নয় শসা। এটি একটি ফল উদ্ভিদ বিজ্ঞানীদের সংগা অনুসারে। কারণ শসায় বীজ থাকে যা ফুল থেকে হয়। একই ভাবে অনেক সব্জি আসলে ফল যেমন-ক্যাপ্সিকাম, কুমড়া এমনকি টমেটো। শসা খাওয়া সাস্থ্যের জন্য ভালো ,যেমন ফল খাওয়া ভালো।

হজমে সহায়তা:

খাবার হজমের জন্য সাহায্য করে শসার ভিটামিন, খাদ্য আঁশ এবং পানি। পাচনতন্ত্র সুস্থ থাকে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যা দূর হয় প্রতিদিন শসা খাওয়া হলে।

হাড় মজবুত করে:

শসাতে আছে ক্যালসিয়াম এবং ভিটামিন কে যা হাড় মজবুত রাখে। ক্যালসিয়াম শোষণে সহায়তা করে এবং ভিটামিন কে হাড়ের ক্ষয়ের ঝুঁকি কমাতে সহায়তা করে।

হৃদ যন্ত্রের সুস্থতা:

শসাতে আছে ভিটামিন কে, ম্যাগনেসিয়াম এবং পটাসিয়াম। হৃদ যন্ত্রের সুস্থতা রক্ষা করতে সহায়তা করে এই তিনটি উপাদান। রক্ত চাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে ম্যাগনেসিয়াম এবং পটাসিয়াম গ্রহনের ফলে। প্রত্যেকদিন নিয়মিতভাবে যদি শসা খাওয়া যায় তাহলে রক্ত জমাট বাঁধা এবং ক্যালসিয়াম প্রবাহের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

চুল ও নখের উন্নতি করে :

শরীর সুস্থ থাকবে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বারবে । নিয়মিত শসা খেলে শরীর চুল এবং নখ ভালো থাকবে।

আরো পড়ুনঃ  স্বাস্থ্য রক্ষা করার উপায়

আর্দ্রতা রক্ষা:

শরীর আর্দ্র রাখতে ও পরিস্কার রাখতে সাহায্য করে শসা কারণ শসায় প্রায় ৯৫ শতাংশ – ই পানি। প্রতিদিন শসা খাওয়া হতে পারে উপকারী যদি নিয়মিত পানি খাওয়ার কথা ভুলে যাওয়া হয় তবু ও।

হরমোনের ভারসাম্য রক্ষা:

হরমোন নিয়ন্ত্রনের মূল পোষ্টি উপাদান ফসফরাস যা শসাতে রয়েছে। চার শতাংশ ফসফরাস শসাতে থাকে যা প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষের প্রয়োজন। প্রতিদিন খাবার তালিকায় শসা রাখুন ভালো ফলাফল এর জন্য।

মানসিক চাপ কমায়:

শসা খাওয়ার মাধ্যমে মস্তিষ্কে চাপ সৃষ্টি হতে দেয় না এবং মস্তিস্ককে চিন্তা মুক্ত রাখে।

ত্বক কোমল ও উজ্জ্বল করে:

ত্বক মলিন ও শুষ্ক ত্বক সতেজ করতে সহায়তা করে শসার ঠান্ডা ও আর্দ্র রাখার উপাদান। ত্বকের উজ্জ্বলতা রক্ষা করে ভিটামিন বি – নায়াসিন, রিবোফ্লাভিন, ভিটামিন সি পাওয়া যায় নিয়মিত শসা খাওয়ার মাধ্যমে এবং নিয়মিত শসা খাওয়া ত্বকের জন্য এবং শরীরের উজ্জ্বলতার জন্য উপকারী।

গাজর:

নানা ভাবে খাওয়া যায় গাজর। রান্না করেও খাওয়া যায় আবার কাঁচা খাওয়া যায়। গাজর একটি সব্জি। গাজর সব্জি টি গুণে যেমন রোপে ও তেমন। প্রধান পুষ্টিবিদ আখতারুন নাহার (বার্ডেম জেনারেল হাসপাতাল) বলেন, সম্রাট আকবর ত্বক ভালো রাখার জন্য প্রতিদিন এক থালা করে গাজর খাওয়া শুরু করেন।

আরো পড়ুনঃ  ফেসবুক পেইজ ব্লু ব্যাজ ভেরিফাইড

তাঁর ত্বক সাভাবিক রং হারিয়ে সাদা হয়ে গেছে বেশ কিছু দিন পর দেখা গেলো। এর অর্থ হলো গাজর অতিরিক্ত খাওয়ার দরকার নেই। দুটি গাজর এক দিনে যথেষ্ট। যারা কিডনি রোগে ভুগছেন, গাজরে পটাসিয়াম থাকায় তাদের গাজর খাওয়ার কিছু বিধি নিষেধ রয়েছে। এ ছাড়া অন্যদের জন্য গাজর খুব ভালো সব্জি।

যুক্তরাষ্ট্রের নিউট্রিশন, আ্যসোসিয়েশন এর এক গবেষণায় দেখা যায়, ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে সহায়ক গাজরে থাকা পুষ্টি উপাদান এবং কোলন ক্যান্সার ও ফুসফুসে ক্যান্সার এর ঝুঁকি কমে।

এছাড়া গাজরে আরো অনেক গুণ রয়েছে। যেমন –

১. দ্রুত ত্বক শুষ্ক হয়ে যায় শীতে। ত্বকের আর্দ্রতা বজায় থাকবে এবং ত্বকের পটাসিয়াম দূর হবে গাজর খেলে।

২. গাজরে থাকা ভিটামিন মিনারেল কার্যকর চুল পড়া রোধে। চুল কে শক্ত ও মজবুত করে এবং চুল পড়া কমাতে সাহায্য করে ।

৩. গাজরে থাকা বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন আমাদের শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে বিভিন্ন কাজ করে থাকে। দৃষ্টি শক্তি প্রখর করে ভিটামিন এ এবং রাতকানা রোগ থেকে মুক্তি দান করে।

৪. এই সবজি আ্যন্টি অক্সিডেন হিসেবে ও কাজ করে। তাই শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

আরো পড়ুনঃ  স্যালাইন খাওয়ার উপকারিতা

৫. ফুসফুসের সংক্রামন প্রতিরোধে অংশ নেয় গাজরের উপকারী উপাদান গুলো। এছাড়া ভালো করে শ্বাস নালির প্রদাহ।

৬. দাঁতের সুরক্ষা দেয় গাজর। দাঁতের গোড়ায় ক্যালকোলাস জমাতে যেমন বাধা দেয় তেমনি দাঁতের পরিস্কারক হিসেবে ও কাজ করে।

৭. গাজর খুব ভালো গর্ভবতী মা ও শিশুর জন্য।

৮. গাজরে সমাধান খুঁজতে পারেন যারা দীর্ঘ পেটের সমস্যায় ভুগছেন, কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে ও এটি ভালো ঔষধ।

১০. এই সব্জি টি শরীরের যে কোনো ক্ষত দ্রুত শুকিয়ে ফেলে। আ্যন্টি বায়োটিক এর মতো কাজ করে। এছাড়া যে কোনো সংক্রমণ এর বিরুদ্ধে লড়াই করে।

১১. এটি পরিচিত ক্রিমি নাশক হিসেবে। পেটে ক্রিমি হওয়ার আশংকা কমবে নিয়মিত গাজর খেলে।

১২. গাজরে ক্যারোটিন এর রন্জক পদার্থ রয়েছে। এ উপাদান ত্বকের উজ্জ্বলতা বারায়।