কাজু বাদামের দামের রহস্য-কাজু বাদাম কেন এত দাম | Jemon Blog
ঢাকাসোমবার - ১৫ নভেম্বর ২০২১
  1. Ecommerce
  2. অনলাইন জব
  3. গল্প জানুন
  4. টেক আপডেট
  5. লাভ স্টোরি
  6. সাকসেস লাইফ
  7. সোস্যাল আপডেট
  8. হেলথ টিপস

কাজু বাদামের দামের রহস্য-কাজু বাদাম কেন এত দাম

যেমন ব্লগ ডেক্স
নভেম্বর ১৫, ২০২১ ৩:২১ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় বাদাম গুলোর মাধ্যম গুলোর মধ্যে কাজু বাদাম অন্যতম সিল্কি টেক্সচার এবং কৃমি স্বাদের জন্য কাজু বাদাম বেশ সুস্বাদু এবং জনপ্রিয় এছাড়াও কুকিং পেইজ নাট বাটার প্রস্তুতিতে ও কাজু বাদাম ব্যবহৃত হয়। কাজু বাদাম স্বাস্থ্যের জন্য বেশ উপকারী এটি মানবদেহে কোলেস্টেরল কমানোর পাশাপাশি ওজন কমান, ইমিউনিটি সিস্টেম, নার্ভাস সিস্টেম কন্ট্রোল, ডায়াবেটিস কন্ট্রোল এবং দেহে নিউট্রেশন প্রবাহিত করতে সহায়তা করে। অন্যদিকে কাজু বাদাম র্হাড হার এবং ডিপ্রেশান কমানোর জন্য বেশ কার্যকরী। কিন্তু এত জনপ্রিয় ও কার্যকরী এ বাদামের মূল্য সাধারণত বাদামের তুলনায় বেশ চড়া।

ইউএসএ তে এক পাউন্ড উন্নতমানের কাজু বাদাম এর মূল্য ১৫ ডলার পর্যন্ত হয়ে থাকে। বাংলাদেশের সাধারন কাজু বাদাম প্রতি কেজি ৮০০ থেকে ১,০০০ টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে। অন্যদিকে রোস্টেড এবং সল্ট কাজু বাদামের দাম বিভিন্ন ব্র্যান্ডভেদে বিভিন্ন দামের হয়ে থাকে। কিন্তু সেমাই ফিনীয় মিষ্টান্ন জাতীয় খাবারে ব্যবহৃত হওয়ায় বাদাম কেন এত দামি।

কাজুবাদাম এর উৎপত্তিস্থল ব্রাজিলে হলেও বর্তমানে গ্রীষ্মমণ্ডলীয় এশিয়া এবং আফ্রিকার বেশ কিছু দেশে চাষ করা হয়। কাজুবাদাম উৎপাদনের মধ্যে আফ্রিকা, আইভরিকোস্ট তানজানিয়া বুরুন্ডি মালিকসহ, এশিয়াত, ভারত, ফিলিপাইন্সের পাশাপাশি ব্রাজিলে উৎপাদিত হয়। মর্ডান ইন্টালিজেন্স এর একটি তথ্যানুসারে বিশ্বের মোট কাজুবাদামের ৫৬ দশমিক ৫ শতাংশ আফ্রিকায় উৎপাদিত হয় এবং বাকি ৪০% উৎপাদিত হয় এই এশিয়া দেশগুলোতে। ২০১৯ সালের শুধুমাত্র আইভরিকোস্টের ২০.০১ শতাংশ কাজ উৎপাদিত হয় কিন্তু এসব উৎপাদিত ৯০ শতাংশই কোন প্রকার প্রসেসিং ছাড়াই বিশ্ববাজারে এক্সপোর্ট করে দেয়া হয়। ইউনাইটেড নেশনস কনফারেন্স কনফিডেন্স ডেভলপমেন্ট এর একটি তথ্যানুসারে ২০১৪ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে ভারত এবং ভিয়েতনাম বিশ্বের প্রায় ৯৮ শতাংশ কাজুবাদাম আমদানি করে।

কাজু বাদাম কেন এত দাম

অন্যদিকে ইন্টেক্স বক্স এর একটি তথ্যানুসারে ২০১৯ সালে ১.১ বিলিয়ন ডলারের কাজুবাদাম আমদানি করে ভারত ছিল বিশ্বের শীর্ষ আমদানি কারক এবং ৭৭২ মিলিয়ন ডলারের কাজুবাদাম আমদানি করে ভিয়েতনাম ছিল দ্বিতীয় অবস্থানে। এ দুটি দেশ মিলে সে বছর বিশ্বের প্রায় ৯৬ শতাংশ কাজুবাদাম আমদানি করে। অন্যদিকে ভারত এবং ভিয়েতনামে প্রসেস কাজু রপ্তানিতে বিশ্বের অন্যতম প্রধান দুটি দেশ। ২০২০ সালে ভিয়েতনাম ৬৪.৬৫ শতাংশ কাজুবাদাম রফতানি করতে সক্ষম হয়। স্ট্যাটিস্টিক তথ্যসূত্রে ২০১৯ সালে বিশ্বে প্রায় ৮ লক্ষ ৩০ হাজার মেট্রিক টনের বেশি কাজুবাদাম করা হয়েছে। বর্তমানে কাজুবাদামের গ্লোবাল মার্কেট প্রাইস ৬ বিলিয়ন ডলার। স্ট্যাটিক তথ্যসূত্রে ২০১৩ থেকে ২০১৯ সালের মধ্যে কাজুবাদামের মার্কেট ভ্যালু গড়ে ৪ দশমিক ১ শতাংশ হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।

আরো পড়ুনঃ  WhatsApp is bringing tap to join Conference Call feature , find out what its benefits are

ফ্রিজের একটি তথ্যসূত্রের ২০২০ সালের প্রসেস কাজুবাদামের শীর্ষ রপ্তানিকারকদের মধ্যে ভিয়েতনাম এবং আমদানির দিক থেকে ইউএসএ’র শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে। ২০১৯ সালে বিশ্বে প্রায় ৩.৯৬ মিলিয়ন মেট্রিক টন কাজু বাদাম উৎপাদন করা হয় যা ২০১৮ সালের তুলনায় ৩ দশমিক ২৩ শতাংশ কম। কেননা করণা মহামারীর প্রভাবে বিশ্বের কাজুবাদামের উৎপাদন আমদানি এবং রপ্তানিকারক বেশ পিছিয়ে পড়েছে। তবে সেই বছর উৎপাদনের দিক থেকে আইভরিকোস্ট ছিল সবার শীর্ষে।

ডিপার্টমেন্ট অফ এগ্রিকালচার এক্সটেনশন অফ বাংলাদেশের একটি তথ্যসূত্রে ২০১৮ থেকে ২০১৯ অর্থবছরের বাংলাদেশে প্রায় পাঁচ হাজার মেট্রিক টন প্রসেস কাজুবাদাম আমদানি করে যেখানে ২০১৪ থেকে ২০১৫ অর্থবছরে এর পরিমাণ ছিল মাত্র ১৮ মেট্রিক টন। ইউএসএ মার্কেটে ১ কেজি কাজু বাদামের পাইকারি মূল্য ১০ ডলার যা চিনাবাদামের তুলনায় চারগুণ বেশি এছাড়া উন্নতমানের ফাইলস ক্রিয়েটদ কাজুবাদামের এক কেজির মূল্য ১৫ ডলার পর্যন্ত হয়ে থাকে।

তবে ঠিক কি কারণে কাজু বাদাম এর মূল্য এত বেশি?
কাজুবাদাম মূলত কাজু ফলের বীজ ফলের বাইরের দিকে সংযুক্ত থাকে। কিডনি সেপেরি বীজটিকে প্রসেসিং এর মাধ্যমে কাজুবাদাম প্রস্তুত করা হয়। কাজুবাদাম মূলত মৌসুমী ফল মৌসুমী ফল হওয়ায় প্রতিবছর একবারই উৎপাদন হয় তাই এর প্রোডাকশন লিমিটেড। ১ হেক্টর জমিতে ৪০০ টির অধিক কাজু গাছ থেকে প্রায় ৯ হাজার কেজি কাজু বাদাম পাওয়া যায়। যার মধ্যে মাত্র ৩০০ কেজি আন প্রসেস কাজুবাদাম উৎপাদিত হয়। যদিও কাজু ফল নিয়ে বিশ্বের কিছু কিছু জায়গায় ফুড জাম এবং মদ্যপান উৎপাদিত হয় তবে এদের মধ্যে শুধুমাত্র কাজুবাদামের ইকোনমিক ভ্যালু রয়েছে।

এই বাদাম প্রসেসিং খুবই বিপদজনক শ্রমনির্ভর এবং অভিজ্ঞ কর্মী নির্ভর একটি কাজ কেননা কাজুয়া পেলেই উরুশিয়ল নামে এক প্রকার বিষাক্ত এলাকায় ক্যাসেট রয়েছে এটি মানুষের ত্বকের সংস্পর্শে এলে চুলকানি ফোসকা পড়া এবং মাথাব্যথা মতো সমস্যা সৃষ্টি হয়। আন প্রসেস কাজুবাদাম খাওয়া তো দূরে থাক খালি হাতে ধরা তার স্বাস্থ্যের জন্য বেশ ক্ষতিকর। ফলে কাজুবাদাম প্রসেসিং এর ক্ষেত্রে অন্যান্যবারের তুলনায় অনেক বেশি সচেতনতা অবলম্বন করতে হয়। প্রথমত পাকা কাজুবাদাম গুলো গাছথেকে সংগ্রহ করে ফল থেকে বীজগুলো আলাদা করে তার রোদের আলোতে রাখা হয়। যা বিষাক্ত তেলটিকে শুকিয়ে ফেলে এবং খোসা ছড়ানোর কাজটা কিছুটা সহজ হয়ে যায়।

আরো পড়ুনঃ  কিভাবে ফেসবুকে ফলোয়ার অ্যাক্টিভ করা যায়

যদিও বর্তমানে অনেক ক্ষেত্রেই মেশিনের সাহায্যে উচ্চতাপে বীচ শুকানোর কাজ করা হয়। তবে সবচাইতে কঠিন বিপদজনক কাজ হলো ব্রিজগুলোর খোসা ছাড়ানো। এই কাজটি বিপদজনক কেননা বিষাক্ত তেল শুকিয়ে গেলেও কার্যকরিতা পুরোপুরি নিঃশেষ হয় না। যার ফলে এর থেকেও এফেক্টেড হবার বিশেষ সম্ভাবনা রয়েছে যদিও এ কাজটি তাদের অটোমেটিক মেশিনের মাধ্যমে করে। তবে আফ্রিকা ভারত ও শ্রীলংকার এখনো কাজটি হাতে করা হয়।

কেননা মেশিন কাজটি খুব সহজ করার পাশাপাশি প্রোডাকশন ক্ষমতা বাড়ালেও এতে খরচ অনেক বেশি হয় তাই প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রসেসিং এর কাজে এখনও ট্রেডিশনাল মেথদ ব্যবহার করে থাকে। এসিডের টক্সিসিটি কারনে গ্লাক্সো পুড়ে যায়। খোসা ছাড়ানো শেষে বীজগুলোকে আবারো ভাজা হয় এতে করে ধোঁয়ার সাথে প্রচুর পরিমাণে বিষাক্ত গ্যাস নির্গত হয় যা চুলকানির সমস্যা তৈরি করে। ভাজা শেষে বাদামের উপরে থাকা আরেকটি পাতলা আবরণ তৈরি হয় যা আবারও ম্যানুয়ালি ছাড়ানো হয় কেননা এই বাদাম খাওয়ার ফলে শরীরে অতিরিক্ত চুলকানি সৃষ্টি হয়।

এই সম্পূর্ণ প্রসেসটি শুধুমাত্র অভিজ্ঞ কর্মী দ্বারা ম্যানুয়ালি সম্পন্ন করতে হয় বলে এটি বেশ সময়সাপেক্ষ ও ব্যয়বহুল একটি কাজ। কাজু বাদামের উচ্চমূল্যের পেছনে সাপ্লাই চেইন এর বেশ ভূমিকা রয়েছে। আইভরিকোস্ট তানজানিয়া মোজাম্বিকের মতো আফ্রিকার দেশগুলো বিশ্বের মোট উৎপাদিত কাজুবাদামের অর্ধেকের বেশি কাজু বাদাম উৎপাদন করতে সক্ষম হলেও তারা কাজুবাদাম প্রসেসিং এর ক্ষেত্রে অনেক পিছিয়ে। তাই এসব দেশগুলো আন প্রসেস কাজুবাদাম গুলো ভারত ও ভিয়েতনামের মতো দেশের রপ্তানি করে।

এই প্রসেস হাওয়া বাদাম যখন ইউএস কানাডা অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ড এর মত উন্নত দেশগুলোতে পুনরায় রপ্তানি করা হয় তখন বাদামের মূল্য কয়েকগুণ বেড়ে জায়। ইউএসএ এর একটি তথ্যসূত্রের ভারত থেকে ইউরোপের যেই মূল্যে প্রতিকেজি কাজুবাদাম রপ্তানি করা হয় তা আইভরিকোস্টের কৃষকদের প্রাপ্ত মূল্যের প্রায় ২.৫ গুণ বেশি। আবার ইউরোপের নতুন করে প্রসেসিং শেষে এই বাদামের মূল্য ৮.৫ গুণ বেড়ে যায়।

তবে বর্তমানে আফ্রিকাতেও প্রসেসিং প্লান্ট প্রস্তুত করা হচ্ছে। ফলে ধারণা করা যায় ভবিষ্যতে কাজুবাদাম এর মূল্য অনেক কমে আসবে। কাজুবাদাম সংরক্ষণ করে রাখা একটি জটিল প্রক্রিয়া। যেহেতু কাজুবাদাম একটি সিজনাল খাবার সেহেতু পুরো বছর ধরে সাপ্লাই চেইন মেন্টেন করা অনেক জটিল একটি প্রক্রিয়া। কাজুবাদাম মূলত এয়ারটেল প্যাক বাপ্পাকে করে শুকনো জায়গায় স্টোর গঠিত হয় ফলে অনেক বেশি জায়গার প্রয়োজন পড়ে। এই স্ট্রেচিং এবং প্রসেসিং প্রক্রিয়া অনেক ব্যয়বহুল যার কারণে এর দাম আরো বৃদ্ধি পায়।

আরো পড়ুনঃ  রসুন চাষ করার পদ্ধতি

বর্তমান সময়ে মানুষ স্বাস্থ্য সচেতন হতে থাকায় হেলদি খাবার দাবারের প্রতি আকৃষ্ট হচ্ছে। বর্তমানে মানুষ স্বাস্থ্যের প্রতি ক্ষোভ যত্নশীল ফলে মানুষ এখন কাজু বাদামের মত স্বাস্থ্যকর এবং বেস্ট নিউট্রেশন ফ্রুট গ্রহণ করতে আগ্রহী হয়ে উঠছে। তবে চাহিদা বৃদ্ধির পাশাপাশি পর্যাপ্ত সাপ্লাইয়ের না থাকায় কাজুবাদাম এর মূল্য বেশ কয়েকবছর যাবৎ প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। অন্যদিকে প্রতিনিয়ত পরিবর্তনশীল আবহাওয়ার ফলে কাজুবাদাম উৎপাদন বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এই পরিবর্তনের ফলে বিশ্বের গ্রীষ্মমণ্ডলীয় অঞ্চলগুলোতে গ্রীষ্ম এবং বর্ষা মৌসুম দেরিতে আসছে। যা কাজু বাদাম হার্ভেস্টিং এর সরাসরি প্রভাব ফেলছে। এছাড়া কৃষকদের মধ্যে বেশ কয়েকবছর যাবৎ কাজে উৎপাদনের প্রায় অর্ধেক হয়ে এসেছে।

কাজুবাদাম গ্রাহক চাহিদা এর সাথে পাল্লা দিয়ে সাপ্লাই বাড়ানো সম্ভব হচ্ছে না এবং আলটিমেটলি কাজুবাদামের দাম এর প্রভাব ফেলছে। কাজুবাদাম শুধুমাত্র বিশ্বের গ্রীষ্মমণ্ডলীয় অঞ্চলে উৎপাদিত হয় এদিকে বাংলাদেশ যেহেতু একটি গ্রীষ্মমন্ডলীয় দেশ এদেশে ও কাজুবাদাম উৎপাদনে সুযোগ রয়েছে। রাঙ্গামাটি খাগড়াছড়ি এবং বান্দরবানের মত পাহাড়ি এলাকাগুলোতে প্রায় ১৩ লক্ষ ৩৪ হাজার হেক্টরের বেশি জমি রয়েছে। যার মাত্র ৫ শতাংশ জমিতে শস্য চাষ করা হয় এবং বাকি জমির অব্যবহৃত পড়ে রয়েছে। এর মধ্যে ২২ শতাংশ জমির কাজু বাদাম চাষের জন্য উপযুক্ত। ১৯৬১ থেকে ১৯৬২ সালের দিকে সিএইচটি মেনোপজ এবং বাংলাদেশের হটিকালচার ডেভেলপমেন্ট ডিপার্টমেন্ট আফ্রিকা থেকে কাজুবাদামের কিছু বীচ সংগ্রহ করে অন্যান্য বীচের সাথে রোপন করে খুব ভালোভাবে বড় হয় কিন্তু অভিজ্ঞতাও সঠিক পরিচর্যার অভাবে বেশ কিছু গাছ নষ্ট করে ফেলে।

মিনিস্ট্রি অফ এগ্রিকালচার তথ্যমতে ২০১৮-১৯ অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রায় ৯৭২ কাছাকাছি উৎপাদিত হয়েছে। যা ২০১৯-২০ অর্থবছরে বেড়ে দাঁড়ায় তেরোশো তেইশ টন। যদিও এইটুকু উৎপাদন দেশের চাহিদা মেটাতে সক্ষম না তাই দেশের সরকার উচ্চ ফলনশীল শস্য উৎপাদনের দিকে নজর দিচ্ছে। যার সুবাদে বিগত কয়েক বছরে কাজু বাদাম উৎপাদন ও এর রিচার্জের জন্য বেশকিছু ফান্ডিং কালেক্ট করা হয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশে বেশ কিছু কাজও প্রসেসিং প্লান্ট রয়েছে। যদিও উৎপাদনে বাংলাদেশ অনেক পিছিয়ে তবে বিভিন্ন ভারতের মতো কাজুবাদাম আমদানি করে তার প্রসেসিং এর মাধ্যমে পুনরায় এক্সপোর্ট করা যায় তাহলে গ্লোবাল মার্কেটে বাংলাদেশের ভালো অবস্থান দখল করার সম্ভাবনা রয়েছে।